Home Classes Class 5 Class 5| Model Activity 2021 New| Bengali (Part-4)| মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক|পঞ্চম শ্রেণী |...

Class 5| Model Activity 2021 New| Bengali (Part-4)| মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক|পঞ্চম শ্রেণী | বাংলা (Part-4)

1
3931

CLASS 5 MODEL ACTIVITY TASK BENGALI NEW PART 4 JULY -2021(NEW)

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক

পঞ্চম শ্রেণী 

  বাংলা

নতুন জুলাই মাসের পার্ট

একটি বাক্যে উত্তর দাও :

১.১ ) ‘ আয়রে ছুটে ছোট্টরা ‘ – ছোটদের কেন ছুটে আসতে হবে ?

উঃ গল্পবুড়োর  গল্প শোনার জন্য শীতের ভোরে ছোটদের ছুটে আসতে হবে।

১.২ )‘…আমাদের জওয়ানদের একটা ঘাঁটি ছিল ‘। –  জওয়ানদের ঘাঁটিটি কোথায় ছিল?

উঃ জওয়ানদের ঘাঁটিটি ছিল লাডাকে।

১.৩ ) দারোগাবাবু এবং হাবু কবিতায় মেজদার পোষ্য কটি ছিল?

উঃ দারোগাবাবু এবং হাবু কবিতায় মেজদার পোষ্য ছিল আটটি কুকুর।

১.৪ ) ‘ উলগুলান ‘ কাদের লড়াই ?

উঃ মহাশ্বেতা দেবীর লেখা “এতুয়া মুন্ডার কাহিনী ” গল্পে ইংরেজদের সঙ্গে আদিবাসী মুন্ডাদের যে যুদ্ধ হয়েছিল সেই যুদ্ধ উলগুলান নামে পরিচিত।

১.৫ ) ‘ পাখির কাছে ফুলের কাছে ‘ কবিতায় কোথায় কবিসভা বসবে ?

উ: – রক্ত জবার ঝোপের কাছে কবিসভা বসবে।

১.৬ )‘ তাই বুঝি বিমলার কমে গেছে দাম – বিমলার কেন মনে হয়েছে যে তার দাম কমে গেছে ?

উঃ বিমলার মনে হয়েছে তার দাম কমে গেছে কারণ সে তার দাদা ও ভাইয়ের থেকে কম ক্ষীর পেয়েছে।

১.৭ )‘ ও যেন দিনের বেলাকার রাত্তির ‘– কোন সময়টিকে লেখক দিনের বেলাকার রাত্তির বলেছেন ?

উঃ লেখক দিনের বেলাকার রাত্তির বলতে দুপুরবেলা কে বুঝিয়েছেন।

২ ) নিজের ভাষায় উত্তর দাও:

২.১ ) গল্পবুড়ো কবিতায় রূপকথার কোন কোন প্রসঙ্গ উল্লেখিত হয়েছে ?

উঃ গল্পবুড়ো কবিতায় দৈত্য, দানব, যক্ষীরাজ, রাজপুত্র ও পক্ষীরাজ এর গল্প রয়েছে । কড়ির সারবাঁধা পাহাড়, হিরে, মানিক, সোনার কাঠি ও তেপান্তরের মাঠ, কেশবতী নন্দিনী রূপকথার প্রসঙ্গ উল্লেখিত হয়েছে ।

২.২ )‘ এমনি করে সারা শীত দেখতে দেখতে কেটে গেল ‘–  জওয়ানদের সেই শীতকাল যাপনের কথা কিভাবে ‘ বুনোহাঁস ‘ গল্পে ফুটে উঠেছে ?

উঃসারা শীতকাল বুনোহাঁস দুটি জওয়ানদের তাঁবুতে থেকে গেল। জোয়ানরা আনন্দের সঙ্গে হাঁস দুটির দেখভাল করত। টিনের মাছ, তরকারী ভুট্টা , ভাত, ফলের কুচি ইত্যাদি তাদের খেতে দিত । আস্তে আস্তে জখম হাঁসটি সেরে উঠল ও একদিন তারা দুজনেই উড়ে গেল। এভাবেই শীতকাল শেষ হল আর জোয়ানদের বাড়ি ফেরার সময় হয়ে এল।

২.৩ )‘ নালিশ আমার মন দিয়ে খুব / শুনুন বড়বাবু ‘–  থানায় বড়বাবুর কাছে হাবু কি কি নালিশ জানিয়েছিল ?

উঃহাবুরা একটা ঘরে চার ভাই মিলে থাকে।তার বড়দা সাতটা বিড়াল, মেজদা আটটা কুকুর ও সেজদা দশটা ছাগল পোষেন । সেই গন্ধে তার ঘরে থাকতে খুব কষ্ট হয় । সে ঘরের দরজা – জানালা খুলতে পারে না। দুর্গন্ধে প্রাণ যায় যায় অবস্থা। এইসব বলে হাবু বড়বাবুর কাছে নালিশ করেছিল ।

২.৪ )‘ এতোয়াকে দেখলে মনে হয় দুরন্ত এক বাচ্চা ঘোড়া ‘–  উদ্ধৃতিটির আলোকে এতোয়ার কাজকর্মের পরিচয় দাও

উঃএতোয়াকে দেখতে দুরন্ত ঘোড়ার মত, মাত্র ১০ বছর বয়সেই সে অনেক কিছু বুঝে গেছে। বুড়ো  ঠাকুরদার খেয়াল রাখে সে। জ্বালানী কুড়ায়,হাটের দোকানীর দোকান ঝাঁট দিয়ে এতোয়া একটি বস্তা চেয়ে নিয়ে আমবাগানে বাবুর গরু চরাতে চরাতে কুড়িয়ে নেয় টক আম আর শুকনো কাঠ । মেটে আলু মাটি খুড়ে বের করে। মজা পুকুরের পাড় থেকে তোলে শাক। তারপর গরু নিয়ে সে ডুলুং নদী পেরিয়ে নদীর চরে ওঠে। ঘন সবুজ ঘাসবনে গরু- মোষ ছেড়ে দিয়ে দৌড়ায় সুবর্ণরেখার চড়ায়। বাঁশ দিয়ে বোনা জালটা সেখানে পাতে।  আর মনে মনে নিজেকে রাজা ভাবতে থাকে ।

২.৫ )‘ ছিটকিনিটা আস্তে খুলে পেরিয়ে গেলাম ঘর ‘–  তারপর কী কী ঘটল,  তা পাখির কাছে ফুলের কাছে কবিতা অনুসরণে লেখ ।

উঃকবি আল মাহমুদ একরাতে দেখলেন নারকেল গাছের লম্বা মাথায় ডাবের মত ঠান্ডা ও গোলগাল চাঁদ উঠেছে ।এই সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য দরজার ছিটকিনি আস্তে খুলে ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন। বাইরে বেরিয়ে এসে কবির এই শহরকে দেখে মনে হল ঝিম ধরা অবস্থায় মস্ত শহরটি থর থর করে কাঁপছে । মিনারটাকে দেখে মনে হয় কেউ যেন দাঁড়িয়ে আছে। দরগাতলা পেরতেই এক পাহাড় কবিকে আয় আয় বলে ডাক দেয়।

২.৬ )‘ বিমলার অভিমান ‘ কবিতা অনুসরণে বিমলার অভিমান এর কারণ বিশ্লেষণ করো ।

উঃ বাড়িতে যত ফরমাশ সবই বিমলাকে শুনতে হয়।ফুল এনে দেওয়া,দুরন্ত খোকা কাঁদলে তাকে সামলানো, ছাগল তাড়ানো, দাদা খেতে বসলে খাবারে নুন কম হলে তখন নুন আনা থেকে শুরু করে ঝাল পানের জন্য চুন আনা সবই বিমলাকে করতে হয় ।কিন্তু খাবার সময় দাদাকে অনেকটা ক্ষীর এবং ছোট ভাই অবনীকে বেশি পরিমাণে ক্ষীর ক্ষেতে দেওয়া হয়। কিন্তু বিমলার পাতে নামমাত্র ক্ষীর দেওয়ায় বিমলার অভিমান হয়

২.৭ ) ছাদটা ছিল আমার কেতাবে পড়া মরুভূমি – ছেলেবেলা রচনাতে ছাদের প্রসঙ্গটি লেখক কিভাবে স্মরণ করেছেন ।

উঃআলোচ্য অংশটি রবীন্দ্রনাথের ছেলেবেলা গদ্যাংশ থেকে নেওয়া হয়েছে ।

                      রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  জানিয়েছেন তার জীবনে বাড়ির খোলা ছাদ ছিল প্রধান ছুটির দেশ।ছেলেবেলায়  দুপুরে লুকিয়ে ছাদে উঠতেনতিনি। ছাদে বসে সে শুনত ফেরিওয়ালার ডাক।ছাদ থেকে তিনি ছোটবড় নানা আকারের বাড়ি ও রাস্তার লোকের চলাচল লক্ষ্য করতেন । কখন কখন তাঁর বাবার স্নান ঘরের কল খুলে ভিজতেন পরম আনন্দে, ছাদে উঠে কল্পনার রাজ্যে  হারিয়ে যেতেন তিনি।

৩ ) নির্দেশ অনুসারে নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও:

৩.১ ) সন্ধি করো

মিশি + কালো = মিশকালো

এত + দিন = এদ্দিন

বড়ো + ঠাকুর = বট্ঠাকুর

সৎ + গ্রন্থ = সদ্গ্রন্থ

দিক্ + নির্ণয় = দিগনির্ণয়

৩.২ ) নিচের পদ্গুলি বাঞ্জন সন্ধির কোন কোন নিয়ম মেনে বদ্ধ হয়েছে, লেখো :

প্রচ্ছদ = প্র + ছদ ( অ + ছ = অচ্ছ )

প্রাগৈতিহাসিক = প্রাক্ + ঐতিহাসিক ( ক্ + অ = গ )

সদিচ্ছা = সৎ + ইচ্ছা ( ত্ + ব্ = দি )

বিদ্যুদ্বেগ = বিদ্যুৎ + বেগ ( ত্ + ব্ = দব )

পদ্ধতি = পদ্ + হতি ( দ্ + হ্ = দ্দ )

Click here To Download  The Pdf

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.